সংগঠনের কাজের ধরণ বর্তমানে কেমন হতে পারে

“… কাজের ধরণের মধ্যে থাকবে- চীনের জনগণের নম্রতা এবং বাস্তববাদিতা; চীনের কৃষক সমাজের সরলতা এবং কঠোর পরিশ্রমী মানসিকতা; ধীমানগণের মত অধ্যয়নের প্রতি ভালবাসা এবং চিন্তার গভীরতা; বিপ্লবীদের মত নমনীয়তা এবং ঠান্ডামেজাজ; বলশেভিকদের মত ধৈর্য ও একাগ্রতা।

 

দৈনন্দিন কাজে ঢিলেমি(সুবিধাবাদিতা) পরিহারের জন্য সংগ্রাম করতে হবে। বর্তমানে আামাদেরকে  মনসংযোগবিহিীন নিয়মবদ্ধ যান্ত্রিক কাজের ধারা; বাক-বাগীশতা; ঔদ্ধত্য, আনুষ্ঠানিকতা, রুটিনবাদিতাসহ সকল ধরণের কাজের ধারা যা পার্টি এবং মিলিটারির চমৎকার ঐতিহ্যকে ধ্বংশ করে এ বিষয়ে সংগ্রাম করবে হবে।”- চৌন এন লাই এর ‘ How To Be A Good Leader’ এর প্রবন্ধ হতে নেয়া।

নিপীড়িত জাতির অধিকার আদায়ের একমাত্র হাতিয়ার হচ্ছে সংগঠন বা পার্টি। সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী পার্টি-ই সংগ্রামকে সফলতার পথে নিয়ে যেতে পারে।  পার্টির তাত্ত্বিক ভিত্তিভূমির জনমুখীনতা, রণকৌশলের বাস্তবমুখীনতা এবং সঠিক সাংগঠনিক কর্মপদ্ধতিই হচ্ছে লড়াইয়ে সফলতার মৌল চাবিকাঠি।  এখানে জোচ্চুরি- ফাঁকবাজির কোনো স্থান নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামের লড়াই সংগ্রামের ক্ষেত্রেও আামাদের সবাইকে এই পথই অনুসরণ করতে হবে। রণনীতিগত-রণকৌশলগত এবং সাংগঠনিক কর্মপদ্ধতিগত দিক থেকে যে পার্টি যুগোপযোগি অবস্থান গ্রহণ করতে পারবে সে পার্টির নেতৃত্বেই লড়াই সংগঠিত হবে। এদিক থেকে  ব্যক্তির ভূমিকা নৈর্বক্তিক, সামষ্টিক কর্মকান্ড এবং তার ভূমিকাই মুখ্য।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s